ঢাকাSaturday , 25 September 2021
  1. Engineering
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া ও দূর্যোগ
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন
  9. কবিতা
  10. কুরআন/সূরা
  11. কৃষি
  12. কোভিড-১৯
  13. খেলাধুলা
  14. গনমাধ্যম
  15. জব
বিজ্ঞাপনঃ আপনি স্ববলম্বি হতে চান? ১০০% নিশ্চয়তায় দৈনিক আয় করতে telegram এ যোগাযোগ করুন, +85295063265 @krakenvip01' বা, @kraken_Asst     
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন দেশের ভাবমূর্তি যারা ক্ষুণ্ণ করছে তারা জনগণের শত্রু

bd-tjprotidin
September 25, 2021 9:21 pm
Link Copied!

 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিদিন :
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় যারা বিশ্বাস করে না তারা মূলত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশে এবং বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে। তারা দেশের ও জনগণের শত্রু। নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া এয়ারপোর্টের ম্যারিয়ট হোটেলে আওয়ামী লীগের ইউএস চ্যাপ্টার আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশে অবস্থানরত কিছু লোক (সরকারের) সমালোচনা এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে ব্যস্ত। এমন এক সময়ে তারা এসব করছে, যখন আ. লীগ সরকার দেশকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে গেছে। কেউ যেনো দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, রাজনীতি কখনো ভোগের জন্য নয় বরং এটি আত্মত্যাগের জন্য ও সেবা করার জন্য। জিয়া, এরশাদ এবং খালেদা জিয়া ক্ষমতাকে ভোগ এবং দ্রুত অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হিসাবে বিবেচনা করতেন।তারা কখনো জনগণের কল্যাণের কথা ভাবেননি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় আজ সমগ্র বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।কিছু মানুষ আওয়ামী লীগ সরকারকে অবৈধ হিসেবে আখ্যায়িত করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার প্রশ্ন হল তারা কিভাবে এই কথাগুলো বলার সুযোগ পায়? যদি তাদের কোন আদর্শ থাকে, তারা কখনোই তা করতে পারে না। যারা সরকারের সমালোচনা করছে তারা মূলত বিএনপি-জামায়াত চক্রের কেনা গোলাম।

এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, জিয়াউর রহমান এবং এরশাদ দেশের সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতায় এসেছিল এবং হাইকোর্ট তাদের সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া এতিমদের অর্থ আত্মসাতের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং তার ছেলে (তারেক রহমান) ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই দুর্নীতিতে তাদের জড়িত থাকার তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে জয়কে (সজীব আহমেদ ওয়াজেদ) অপহরণ ও হত্যার জন্য বিএনপি টাকা দিয়েছিল। কিন্তু, এখন তারা আ. লীগ সরকারকে অবৈধ বলছে,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী। জনগণ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে ভোট দিয়েছে এবং বিএনপিকে বর্জন করেছে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জনগণের প্রতি বিশ্বাস থাকলে বিএনপিকে সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান প্রথম হ্যাঁ/না ভোট দিয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থায় কারচুপি শুরু করেছিলেন, যখন খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে তাকেও ছাড়িয়ে যান, ওই নির্বাচনে অন্য কোন রাজনৈতিক দল অংশ নেয়নি এবং জনগণ ভোট কেন্দ্রে যাননি।

নেত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ১৯৭৫ সালের দীর্ঘ সময় পর আবার ক্ষমতায় এলে, দেশের জনগণ প্রথম বুঝতে পারে যে- সরকার জনগণের সেবক এবং জনকল্যাণে কাজ করে। শেখ হাসিনা বলেন, যখনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকে, তখনই বাংলাদেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে থাকে। তিনি আরও বলেন, তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ড্রিমলাইনার বিমানে করে দুটি কারণে নিউইয়র্কে এসেছি। প্রথম কারণ হচ্ছে- অন্য এয়ারলাইন্সের পরিবর্তে দেশী একটি এয়ারলাইন্সকে অর্থ প্রদান এবং এভাবে আমাদের নিজের হাতেই এ ধরনের অর্থ থেকে যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদি একটি বিমান উড্ডয়ন না করে বিমানবন্দরেই থেকে যায়, তাহলেও প্রতিদিন একটি বিরাট অংকের টাকা খরচ হয়। এমনিতেই করোনা ভাইরাসের কারণে বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো রয়েছে স্থগিত।

প্রধানমন্ত্রী এই অভিযোগকারীদের কাছে জানতে চান যে এই ট্রাঙ্ক ও বস্তাগুলো যায় কোথায়।
শেখ হাসিনা বলেন, তিনি কোন কোন মানুষকে এ কথাও বলতে শুনেছেন যে- তারা বিমানে করে নিউইয়র্কে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ভর্তি বস্তা ও ট্রাঙ্ক নিয়ে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র্রেও দুর্নীতির সাথে খালেদা জিয়া ও তার দুই ছেলের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
তিনি আরও বলেন, তার দুই ছেলে তারিক জিয়া ও কোকো দেশ থেকে অর্থ পাচারের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশে অর্থ পাচারের মাধ্যমে সেখানে বিলাসী জীবন যাপন করাই তাদের চরিত্র। সরকার তাদের পাচার করা অর্থের একটি অংশ ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।

নেত্রী আরও বলেন, তাঁর সরকার ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে পুনরায় বিমান পরিচালনা শুরু করতে একটি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তিনি সকলকে স্মরণ করিয়ে দিতে চান যে- খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকা কালে ১৫০টি স্যুটকেসে অর্থ ভর্তি করে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন এবং সৌদি আরবের লকার ভাড়া করে ওই অর্থ রেখেছেন। তার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবরকে কয়েক লাখ ডলারসহ যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারপোর্টে আটক করা হয় এবং পরে বাংলাদেশী দূতাবাসের মধ্যস্থতায় তাকে মুক্ত করা হয়। দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র বিএনপি জামাতের কাজ। উন্নয়ন ও উন্নত দেশ তাদের অস্তির কারণ।

সূত্রঃ ইত্তেফাক

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।