ঢাকাTuesday , 15 November 2022
  1. Engineering
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া ও দূর্যোগ
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন
  9. কবিতা
  10. কুরআন/সূরা
  11. কৃষি
  12. কোভিড-১৯
  13. খেলাধুলা
  14. গনমাধ্যম
  15. জব
বিজ্ঞাপনঃ আপনি স্ববলম্বি হতে চান? ১০০% নিশ্চয়তায় দৈনিক আয় করতে telegram এ যোগাযোগ করুন, +85295063265 @krakenvip01' বা, @kraken_Asst     
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বগুড়ায় ১৩ দফা দাবিতে মাদরাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

bd-tjprotidin
November 15, 2022 11:41 am
Link Copied!

 

স্টাফ রিপোর্টার রাশেদ
মাদরাসা শিক্ষার স্বতন্ত্র কারিকুলাম প্রণয়নসহ ১৩ দফা দাবিতে বগুড়ায় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (১৪ নভেম্বর) বেলা ১১টায় শহরে সাতমাথায় বাংলাদেশ জামিয়াতুল মোদার্রেছীন বগুড়া জেলা শাখা এ কর্মসূচি পালন করে।

এতে বক্তব্য রাখন সংগঠনের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মাওঃ আব্দুল হাই বারী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওঃ রাবেগ হাসান ওসমানী, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মাওঃ মুহাম্মাদ আবু বকর সিদ্দিক, অধ্যক্ষ মাওঃ এ এইচ এম শহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মাওঃ হাফিজুর রহমান, অধ্যক্ষ মাওঃ রেজাউল বারী, অধ্যক্ষ এবিএম হাফিজুর রহমান, অধ্যক্ষ মাওঃ আবু নসর মো. ইয়াহইয়া, অধ্যক্ষ মাওঃ ইসমাইল হোসেন, অধ্যক্ষ মাওঃ জি এম মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যক্ষ মাওঃ আব্দুল মোমিন, হাফেজ মাওঃ আব্দুল মান্নান, অধ্যক্ষ মাওঃ আব্দুস শাকুর, অধ্যক্ষ মাওঃ হেলাল উদ্দিন, মো. মোখলেসুর রহমান দুলু, ড. আব্দুল মান্নান, হাফেজ একরাম হোসেনসহ প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ২০২৩ সাল থেকে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তক হিসেবে যে সমস্ত বই পাঠ্যক্রম হিসেবে নির্ধারন করা হয়েছে সেখানে মাদরাসা শিক্ষার স্বকীয়তা রক্ষা করা হয়নি। যার ফলে বাংলাদেশ জামিয়াতুল মোদারের্ছীন সারা দেশে এক যোগে জেলা শহরে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শতকারা ৯১% মুসলমান যে দেশে বসবাস করে সে দেশে কুরআন-সুন্নাহ ও মুসলিম ঐতিহ্য, কৃষ্টি দীর্ঘদিনের লালিত সংস্কৃতির সাথে সাথে বর্তমান চাহিদাকে সমন্বয় করে আলেম ওলামাদের অংশগ্রহনে একটি যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক তৈরি হবে এটাই ছিল আমাদের প্রত্যাশা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ২০২২ সনের এনসিটিবি ৬২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর যে ৯টি বই পরীক্ষামূলকভাবে পাঠদান করা হয় এবং ২০২৩ সাল থেকে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তক হিসেবে ঐ সমস্ত বই স্কুল ও মাদরাসায় বাধ্যতামূলভাবে পড়াতে হবে বলে এনসিটিবি ঘোষনা দিয়েছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় বর্ণিত পাঠ্যপুস্তক মাদরাসা শিক্ষার জাতীয় লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং স্বতন্ত্র বৈষম্য উপেক্ষা করে রচিত হয়েছে। এসব পাঠ্যপুস্তকে সন্নিবেশিত অধিকাংশ ছবি, চিত্র,শব্দ, বাক্য ও উপাত্ত ধর্মপ্রান মুসলমানদের মর্মাহত করে তুলবে। তারা আরোও বলেন ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ৯টি বইয়ের মধ্যে কুরআন, সুন্নাহ, সহাবায়ে কেরাম, আহলে বাইত, মুসলমি মনীষী ও নীতি-নৈতিকতা সৃষ্টিকারী কোন বিষয় স্থান পায়নি। এ ধরনের পাঠ্যপুস্তক মাদরাসায় পাঠদানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক প্রেরিত এবং নির্দেশিত হলে মাদরাসা শিক্ষাবান্ধব সরকারকে ইসলাম ও মুসলমানদের ঐতিহ্য বিরোধী হিসেবে দাঁড় করিয়ে ধর্ম ও মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সকল অর্জনকে ম্লান করে দিবে। যা কোন অবস্থাতেই মেনে নেয়া যায় না।

মানববন্ধন শেষে তারা সংক্ষিপ্ত দোয়া ও মোনাজাত করে। এরপর জেলা প্রশাসক মো. জিয়াউল হক এর নিকট প্রধানমন্ত্রী বরাবর ১৩ দফা দাবি উল্লেখ করে স্মারকলিপি প্রদান করেন। দাবিগুলো হলো-১. মাদরাসা শিক্ষার জন্য এ সরকারের প্রণীত ও জাতীয় সংসদে গৃহীত জাতীয় শিক্ষা নীতি-২০১০ এ বর্ণিত মাদরাসা শিক্ষার স্বীকৃতি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণের উপযোগী স্বতন্ত্র শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি এবং পাঠ্যবই, এনসিটিবি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও জামিয়াতুল মোদারের্ছীনের বিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ আলেমদের সমন্বয়ে প্রণয়ন করার বিকল্প নেই। অনতিবিলম্বে একটি সমন্বিত কমিটি গঠন করে এ কাজ শুরু করতে হবে। ২. দাবীকৃত শিক্ষাক্রম অনুযায়ী পাঠ্যবই প্রণয়নের পূর্ব পর্যন্ত প্রচলিত পাঠ্যপুস্তকসমূহ পাঠদান অব্যাহত রাখতে হবে। ৩. সাধারণ শিক্ষায় এসএসসি পরীক্ষা দশটি বিষয়ে এক হাজার নম্বরের অনুষ্ঠিত হবে। মাদরাসা শিক্ষার দাখিল পরীক্ষার জন্য মূল বিষয় ঠিক রেখে সমন্বয় সাধন করে এক হাজার নম্বর নির্ধারন করতে হবে। ৪. বেসরকারি সকল স্তুরের শিক্ষক-কর্মচারীগণের চাকুরী জাতীয়করণ করতে হবে। ৫. সংযুক্ত ইবতেদায়ী প্রধান সহ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের উপযুক্ত বেতন/ভাতা প্রদান করতে হবে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়েল শিক্ষার্থীদের ন্যায় স্বতন্ত্র ও সংযুক্ত ইবতেদায়ী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, টিফিনসহ সুযোগ সুবিধা প্রদান করতে হবে। ৬. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদিত ২০১৮ সালে প্রণিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার নীতিমালা শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে এং স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা মঞ্জুরী ১৪ বছরের অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে হবে। ৭. মহিলা কোটা শিথিল ও সংশোধনপূর্বক যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। ৮. আরবি প্রভাষকগণের উচ্চতর পদে আসীন হওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ৯. অধ্যক্ষ/উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে আরবি প্রভাষকদের জন্য পথ উন্মুক্ত করতে হবে। ১০. কামিল পাশ সহকারি মৌলভীদের উচ্চতর স্কেলের ব্যবস্থা করতে হবে। ১১. মাদরাসা শিক্ষকগণের জন্য বিভাগীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট স্থাপন করতে হবে। ১২. মাদরাসার জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ স্কুল ও কলেজের নীতিমালা ২০২১ এর সাথে সমন্বয় করে মাদরাসার অনার্স স্তরের জন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভূক্ত করতে হবে। ১৩. প্রায় দুই হাজার শিক্ষকের ইনক্রিমেন্ট কর্তন করা হয়েছে যা অমানবিক। অনতিবিলম্বে বকেয়াসহ প্রাপ্য ইনক্রিমেন্ট প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।